Featured

First blog post

This is the post excerpt.

Advertisements

This is your very first post. Click the Edit link to modify or delete it, or start a new post. If you like, use this post to tell readers why you started this blog and what you plan to do with it.

post

Fish pathology

আরগুলাসিস

Crustaceans parasitic, Crap lice অথবা বাংলায় মাছের উঁকুন নামেই আমরা আরগুলাসিস এর সাথে পরিচিত।Casual Agents হচ্ছেঃArgulus spp.
জৈব পদার্থের যত্রতত্র ব্যাবহার,অধিক ঘনত্বে মাছ চাষ,বাহিরের দূষিত পানি পুকুরে প্রবেশ,অতিরিক্ত মাএায় খাদ্য প্রদান,পুকুরে প্রয়োজনীয় উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ঘাটতি সহ মূলত বায়োসিকিউরিটি মেনে না চলাই মাছের গায়ে আরগুলাক্স সংক্রামিত হওয়ার মূল কারন।এছাড়াও নানাবিধ কারনে আক্রান্ত হতে পারে যেমন:সংক্রামিত পুকুরে জাল ব্যাবহার করে পুনরায় জাল না শুকিয়েই সুস্থ পুকুরে মাছ ধরা,পুকুরের পাড়ে অবস্থিত পুরাতন গাছের শিকড়ের প্রযাপ্ত অবস্থান, নিরাপত্তার জন্য অবস্থিত ডাল/বাঁশ রোদে মাঝে মাঝে রোদে না শুকানো, পুকুরের পানি না শুকিয়ে বারবার মাছচাষ,পরিমিত সূর্য আলো পুকুরে প্রবেশ না করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
এটি একটি মাছের সাধারন রোগ।আজকাল প্রায় সকল পুকুরেই কমবেশি আরগুলাক্স এর সংক্রমন লক্ষ্য করা যায়।কার্প,ক্যাটফিস,তেলাপিয়া প্রায় সব মাছেই আরগুলাস এর আক্রমণ লক্ষনীয়।হ্যাচারীর জন্য পালিত ব্রুডমাছে এর আক্রমণ একটি খুব সাধারণ ব্যাপার।নিজস্ব অভিঙ্গতায় দেখেছি খৌইল এর ব্যাবহার যেখানে বেশি সেখানে এর দূত বিস্তার ঘটে।
সাধারণত খালি চোখেই দেখা যায় এই পরজীবীকে।মাছের আইশেঁর সাথেনীচে আটকে থাকে।উকুঁনটি ডিম্বাকৃতি ও সামান্য চ্যাপটা। মাছ পুকুরে অবস্থিত শক্ত যেকোন কিছুর সাথে গা ঘষতে থাকে।মাছের শরীরের রক্ত শোষণ এর কারনে দূবর্ল ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে ও এক পর্যায়ে মারা যায়।মাছের গায়ে লাল ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
প্রতিকার হিসাবেঃ ডিপটারেক্স(০.৫পিপিএম)সপ্তাহে একবার পরপর তিন সপ্তাহ ব্যাবহার করতে হবে।পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ৩০পিপিএম দ্রবণ এ ১০ মিনিট ধরে চুবাতে হবে।এছাড়াও ২.৫%লবণ পানিতে মাছকে চুবালে পরজীবী দূর্বল হয়েপড়ে তখন চিমটা দিয়ে পরজীবী তুলেফেলা যায়।
এছাড়াও আধুনিক মাছচাষে আরগুলাক্স নিয়ন্ত্রণ এর জন্য কার্যকর ও সহজে প্রয়োগযোগ্য ঔষুধ ব্যাবহার হচ্ছে যেমন:সুমিথিয়ন শতাংশে প্রতিফুট পানির জন্য সর্বচ্চো ৩মিলি পর্যন্ত এলাকাভেদে।সপ্তাহে একবার করে মোট ৩টি ডোজ দিতে হবে।ডিলেটিক্স একর প্রতি১৫০মিলি সপ্তাহে একবার,মোট ২-৩ তিনটি ডোজ দেওয়া যেতে পারে এছাড়াও আইভার মেকটিন(ব্যায়বহুল)গ্রুপ এর ঔষুধ ব্যাবহার করা যায়।
“কিলার আরগুলাক্স” ৪-৫ফুট পানির জন্য প্রতি শতাংশে ১.৫মিলি ব্যাবহারের ৫দিন পর পুনরায় অনুরুপ আর একটি (মোট ২টি)ডোজ ব্যাবহারে উকুন ও জলজ ক্ষতিকর পোকা সম্পূর্ণরুপে নিয়ন্ত্রণ হয়।
বিদ্রঃদেশের বিভিন্ন এলাকাভেদে চাষীদের নিজস্ব অভিঙ্গতায় ঔষুধগুলোর ডোজ নিয়ে ভিন্নতা পাওয়া যায়।

The secret life of Plankton.

 

Stories from the sea.

Fish Tale

(My secret life as plankton)

Fish-in-ice-cube

How did i get here?

Well it’s a stranger story than you might think. I came from a world of drifters, a place few humans have ever seen.The world of plankton.I came from a batch of a million eggs and only a few of us survived. When i became a Larva,i moved among other drifters.(Plankton comes from the Greek “plankton” for drifting).

My fellow(সহকর্মi) plankton came in all sizes, from tiny Algae(শৈবাল) and Bacteria to animals longer than a blue whale.I shared my nursery with other embryos and juveniles, from clams(ঝিনুক) and crabs(কাকডা) to sea urchins(সামুদ্রীক শজারু) and anemones(বায়ুপরাগী পুষ্পবিশেষ).

We drifting animals are called zooplankton.The most common animals here are copepods and krill.krill_copepod

You could search the world over,but you’d never find a place more diverse than my childhood home. A teaspoon of sea water can contain more than a million living creatures. It can be a pretty tough existence,though.

Trillions are born here,but only a few make it to adulthood. He may be no longer than a pin head,but this crab larva is an arrow worm’s worst nightmare.

Epic battles between carnivores are just one way to get food.

But the real powers of this place come from phytoplankton (single-celled life that transforms sunlight and carbondioxide into edible gold. Phytoplankton are the base for the largest food web in the world.

During the night,many animals like me would rise up from the depths to feed on this sun-powered feast. I was part of the largest daily migration of life on Earth.

During the day, i’d return to the darkness,where i’d join my bizarre companions.Cannibals,like sea butterfly mollusk,that eats its next of kin.And comb jellies that beat cilia like rainbowed eyelashes.Some of these snare their prey with sticky tentacles with others just take a bite out of their cousins.And siponophores that catch prey with toxic fishing lures.But my favorite would have to be the crustacean Phronima. It’s monstrous looks inspired the movie “Aliens”.It can catch tiny bits in it’s bristles but prefers larger prey like salps.

With two sets of eyes,this female prowls the deeper water.Prey in hand,she performs one of the strangest behaviors in the entire animal kingdom.With body parts from her victims,she delicately assembles a barrel like home feeding her young until they can drift off and survive on their own.Best of all,they make the perfect snack for a small fish like me.

Here among the plamkton,the food web is so tongled and complex even scientists don’t know who eats whom.But i do.At least now you know a bit of story. There’s so much more to me than just a tasty meal.

Homo sapiens spread to Asia earlier than once believed.

This specimen (viewed in the picture from six angles) is the middle phalanx of a human middle finger. It was collected from the Nefud desert of Saudi Arabia by Huw Groucutt of Oxford University and his colleagues. In a paper just published in Nature Ecology & Evolution they report that uranium-thorium isotopic dating suggests it is 88,000 years old—a time when the Nefud was a semi-arid grassland much less hostile than it is now. The date is significant because, except for a few excursions along the eastern shore of the Mediterranean, there was no previous evidence of Homo sapiens having left Africa before about 60,000 years ago. That exodus, DNA shows, led to the populating of Asia, Australia, Europe and the Americas. Dr Groucutt’s discovery implies that the early non-African history of Homo sapiens was more complex than previously known. It also suggests that it might be worth re-examining other old bones which some think are evidence of similar early non-Africans.

(source:The Economist)

Fish Classes

1. What are the two main classes into which fish are divided?

Fish are divided into two main classes: chondrichthyes, fish with cartilaginous skeletons (sharks, rays, dog-fish), and osteichthyes, which are bony fish (tuna, sardines, salmon).

2. Which features give chondrichthyes and osteichthyes their names?

“Chondros” means cartilage and “ictis” means fish (both from Greek); the name chondrichthyans refer to fish with a cartilaginous endoskeleton. The name osteichthyes is derived from the existence of a bony endoskeleton among these fish (“osteo” means bone, also from Greek).